ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার শেখর গ্রামে স্বামী পরিত্যক্তা, পিতা-মাতাহীন এক শারীরিক ও আংশিক বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী নারী ছয় মাসের অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। তার অনাগত সন্তানের পিতৃত্ত নিয়ে বিভিন্ন অভিযোগ ও পালটা বক্তব্য সামনে আসায় বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে ধোঁয়াশার সৃষ্টি হয়েছে।
জানা গেছে, প্রায় দুই বছর আগে চুয়াডাঙ্গার বাবলু শেখ নামে এক ব্যক্তির সঙ্গে তার বিয়ে হয়। তবে দীর্ঘদিন ধরে স্বামী তার কোনো খোঁজখবর নেন না। বিয়ের পরও তিনি মায়ের সঙ্গে মামা বাড়িতে বসবাস করতেন। মা মারা যাওয়ার পর জীবিকার তাগিদে বিভিন্ন বাড়িতে গৃহস্থালির কাজ করে জীবনযাপন করেন তিনি।
ভুক্তভোগীর দাবি, প্রতিবেশী অহিদ শেখের বাড়িতে কাজ করার সুবাদে তার ছেলে মেহেদী হাসান শেখের সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক হয়। তবে মেহেদী হাসানের বাড়ি থেকে ভয়ভীতি দেখানো হয়েছে তার ছেলের কথা বললে তাকে মেরে ফেলা হবে।
অভিযোগের বিষয়ে মেহেদী হাসান শেখের বাবা অহিদ শেখ বলেন, আমার ছেলের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ করা হয়েছে, তা প্রমাণিত নয়। ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে সত্য উদঘাটন হোক। আমার ছেলে জড়িত প্রমাণিত হলে আইন অনুযায়ী যে শাস্তি হবে, তা আমরা মেনে নেব।
তবে স্থানীয়দের দাবি, একই গ্রামের বাসিন্দা তারা শেখ, সায়েম শেখ তার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করেন বলে ইতঃপূর্বে অভিযোগ তুলেছেন ওই নারী। তবে এবার ভয়ভীতি দেখানোতে অনাগত সন্তানের জনকের বিষয়ে মেহেদী হাসানের কথা বলছেন তিনি।
স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা জানান, ভুক্তভোগী দীর্ঘদিন অহিদ শেখের বাড়িতে যাতায়াত করতেন। সম্প্রতি তার গর্ভধারণের বিষয়টি নজরে এলে কয়েকজন নারী তাকে এ বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। তবে তিনি বিভিন্ন সময় ভিন্ন ভিন্ন ব্যক্তির নাম উল্লেখ করায় অনাগত সন্তানের পিতৃত্ত নিয়ে নিশ্চিত হওয়া সম্ভব হয়নি।
Copied from: https://rtvonline.com/

