নারী কতোটা ভয়ানক হতে পারে? এই মহিলা কুমিল্লা স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কর্মচারী। ফেসবুকে এই নারীর কান্নাকাটি ভাইরাল হয় এবং করুন কান্না জড়িত কন্ঠে অভিযোগ করে, তাঁর অফিস প্রধান ইঞ্জিনিয়ার তার উপর কঠিন যৌন নির্যাতন চালায়। মূহুর্তেই তার কান্নাকাটি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়। সোশ্যাল মিডিয়ায় তার কান্নাকাটি দেখে অনেক সাধারণ মানুষও কাঁদলো । ঐ মহিলা পুলিশকে অভিযোগ করে, তাঁর স্বামীসহ বাসার প্রত্যেকেটা মানুষকে অফিসে হাজির করে। এদিকে পুলিশও এই নারী কর্মচারীর কথায়, অফিস প্রধানের অনুমতি ব্যাতীত অফিসে হাজির হয়। যেটা সরকারি আইনের পরিপন্থী। আর পুলিশের দোষ দিয়েও বা কি হবে। ঐ মূহুর্তে পুলিশ না গেলে পুলিশেরই আবার দোষ হতো।
কিন্তু নারী যতোই চালাক হোক, নারী তো নারীই, রাগের ঠেলায় মহিলা ভুলেই গিয়েছিল যে, অফিস প্রধানের রুম থেকে শুরু করে আশেপাশের রুমেও সিসি ক্যামেরা অ্যাক্টিভ ছিলো। সিসি ক্যামেরায় দেখা যায়, নারী নির্যাতন তো দূরে থাক, উল্টো ঐ নারী রীতিমতো পুরুষ নির্যাতন চালিয়েছে।বদলি সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে অফিস প্রধানকে জঘন্য ভাষায় গালিগালাজ করেছে। পুরো অফিস তছনছ করেছে।
একবার চিন্তা করেন, যদি সিসি ক্যামেরা না থাকতো, তাহলে বেচারা অফিস প্রধানের অবস্থাটা কি হতো? পুরো দেশে মান ইজ্জত শেষ হতো, চাকরি চলে যেতো, স্ত্রী, সন্তান, আত্মীয় স্বজন, সমাজবাসীর কাছে আমৃত্যু অপদস্ত হয়ে বেঁচে থাকতে হতো।
