স্থানীয়দের দাবি, ওই বাড়িতে তিনজন পুরুষ ও একজন নারী ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করতেন। তাদের সঙ্গে বাড়ির মালিকের বিরোধের জেরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে কি না, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
স্থানীয় সূত্র জানায়, মরদেহ পলিথিনে মোড়ানো অবস্থায় দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধারসহ ঘটনার তদন্ত শুরু করে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে এক নারীকে আটক করেছে স্থানীয়রা এবং পরে তাকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে সোপর্দ করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
তবে হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ, নিহতের পরিচয় এবং ঘটনায় জড়িতদের বিষয়ে পুলিশি তদন্তের পর বিস্তারিত জানা যাবে।
এ বিষয়ে দেবিদ্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)কে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। ফলে এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত পুলিশের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
